এরইমধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে নারীর প্রার্থীদের মধ্যে লেগেছে কখনো শাহবাগী, কখনো হিজাবি এ ধরনের বহু ট্যাগ । এতে বাদ পড়ছেন না পুরুষ প্রার্থীরাও। বিশেষ করে তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও এরকম শত শত বুলিং আর হয়রানির শিকার । অনেকে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য আবার অনেকে নারীবিদ্বেষী মনোভাব নিয়ে এসব কাজ করছেন। প্রার্থী ও তাদের সমর্থকরা এই বিষয়ে বলছেন, এসব অভিযোগ অতি তাড়াতাড়ি আমলে নেওয়া জরুরি ।
সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমের “ঢাবির গতিপথ নির্ধারণ করবে শিক্ষার্থীরা, কোনো রাজনৈতিক দল নয়: উমামা” শিরোনামের প্রতিবেদনে দেখা যায়, সেখানে ২৯টি মন্তব্যের মধ্যে প্রায় ২০ টিই ছিল কুরুচিপূর্ণ ও গালিগালাজে ভরপুর।
ডাকসু নির্বাচনে স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী ঐক্য প্যানেলের ভিপি প্রার্থী উমামা ফাতেমাকে উদ্দেশ্য করে ‘শাহবাগী’ ট্যাগ দেওয়া থেকে শুরু করে নোংরা ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্যসহ, বাদ যায়নি কোনো কিছুই । এমনকি নারী হয়ে ভিপি (ভাইস প্রেসিডেন্ট) পদে প্রার্থী হওয়াকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে অনেকে ।
সাইবারজগতে উমামা ফাতেমার মতো ডাকসু নির্বাচনে অংশ নেওয়া অধিকাংশ নারী প্রার্থীকেই একই ধরনের হয়রানি ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের মুখোমুখি হতে হচ্ছে এবং যেতে হচ্ছে একটি তিক্ত অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে ।
ডাকসু নির্বাচন ঘিরে নারী প্রার্থীদের এইসব হয়রানি ও সাইবার প্রসঙ্গে উমামা ফাতেমা বলেন, “অনলাইনে হয়রানির বিষয়ে আমার এক ধরনের অভ্যস্ততা তৈরি হয়ে গেছে। আমি চেষ্টা করি সর্বোচ্চ মানসিক শক্তি দিয়ে এসব মোকাবিলা করতে, গায়ে না লাগিয়ে এগিয়ে যেতে। তবে অনলাইন হয়রানির কারণে আরও অনেক মেয়ের রাজনীতিতে আসার পথ রুদ্ধ হয়ে যাচ্ছে।”