ঝিনাইদহে ১শ’ ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীণ ব্রিজের গার্ডার ভেঙে পড়েছে। তবে অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন ২০ জন নির্মাণ শ্রমিক।

রোববার (০৪ আগস্ট) দুপুরে ঝিনাইদহ-মাগুরা আঞ্চলিক মহাসড়কের নবগঙ্গা নদীর ওপর নির্মিত ধোপাঘাটা ব্রিজটির গার্ডার ভেঙে পড়ে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ব্রিজের মাঝের গার্ডার সরানোর কাজ চলছিল। এক পর্যায়ে বিকট শব্দে ভেঙ্গে পড়ে ব্রিজের দক্ষিণ পাশের আরেকটি গার্ডার। তবে এ সময় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

জাইকার অর্থায়নে মনিকা লিমিটেড পিডব্লিউ-৩ প্যাকেজের আওতায় ব্রিজটির নির্মাণ কাজ শেষ পর্যায়ে ছিল। পাইলিং ও মাটি ভরাটের কাজ শেষে এখন চলছিল ব্রিজের গার্ডার বসানোর কাজ।

চার শতাধিক যাত্রী নিয়ে স্টেশন থেকে রওনা হয় ট্রেনটি। মিনিট ১৫ পরই থেমে যায় ট্রেন, কিন্তু থামেনি ট্রেনের ইঞ্জিন। ১২ কোচের ট্রেন থেকে ইঞ্জিনটি বিচ্ছিন্ন হয়ে চলে যায় প্রায় ৩ কিলোমিটার দূরে। শেষ পর্যন্ত কোনো দুর্ঘটনা না ঘটায় রক্ষা পেয়েছেন যাত্রীরা।

ট্রেন থেকে ইঞ্জিন বিচ্ছিন্ন হওয়ার এ ঘটনা ঘটেছে আজ রোববার সকালে। ঢাকা থেকে পঞ্চগড়গামী পঞ্চগড় এক্সপ্রেস ট্রেন থেকে ইঞ্জিনটি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

রেলওয়ে সূত্র জানিয়েছে, শনিবার রাতে ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া পঞ্চগড় এক্সপ্রেস ট্রেনটি সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে পার্বতীপুর রেলস্টেশন থেকে পঞ্চগড়ের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। ১০ মিনিট পর ৮টা ৫০ মিনিটে ইষমারী নবিপুর স্কুলসংলগ্ন রেল পিলার অতিক্রম করার সময় ট্রেন থেকে ইঞ্জিনটি হঠাৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। আলাদা হয়ে যাওয়া ইঞ্জিনটি প্রায় ৩ কিলোমিটার দূরে চিরিরবন্দর স্টেশনে গিয়ে থামে। পরে ইঞ্জিনটিকে ফিরিয়ে এনে বগির সঙ্গে জুড়ে দিয়ে ৯টা ১৫ মিনিটে আবার ট্রেনটি পঞ্চগড়ের উদ্দেশে ছেড়ে যায়।

ট্রেনটির গার্ড রাকিবুজ্জামান বলেন, পার্বতীপুর থেকে ছেড়ে আসার পর ট্রেনটি মন্মথপুর রেলস্টেশন অতিক্রম করে। চিরিরবন্দর রেলস্টেশনে পৌঁছানোর আগে উপজেলার মহিষমারী ইউনিয়নের নবীনগর স্কুলসংলগ্ন এলাকায় ৩৯০/০ রেল পিলারের কাছে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ইঞ্জিন থেকে ট্রেনের ১২টি কোচের সব কটিই বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ট্রেনে এসি বার্থ, এসি চেয়ার, শোভন চেয়ারসহ সব কটি কোচের সাড়ে চার শতাধিক যাত্রী ছিলেন। তিনি আরও বলেন, গাড়ি ও ইঞ্জিন হাইড্রোলিক হওয়ার কারণে বিচ্ছিন্ন হওয়ার পরপরই বগিগুলো দাঁড়িয়ে যাওয়ায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পান যাত্রীরা।

ইঞ্জিনের সহকারী চালক আবু তারেক মুঠোফোনে বলেন, চিরিরবন্দর স্টেশনের ৩ কিলোমিটার দূরে ট্রেন থেকে ইঞ্জিন বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঘটনা ঘটে। ঘটনার সময় গাড়ির গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় প্রায় ৭০ কিলোমিটার।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে রেলওয়ের লালমনিরহাট বিভাগীয় ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) মো. শফিকুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। সাত দিনের মধ্যে কমিটিকে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

 

Source: prothom alo

এডিস মশা বন্ধ্যাকরণ কার্যক্রম পরিদর্শন করছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান। ছবি: ইত্তেফাক

ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে পুরুষ এডিস মশাকে বন্ধ্যাকরণের মাধ্যমে এডিস মশার বংশ হ্রাস করার পদ্ধতি উদ্ভাবন করা হয়েছে। পরমাণু শক্তি কমিশনের বিজ্ঞানীরা নতুন এই পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন।

শনিবার সকালে কমিশনের গবেষণাগারে জীবপ্রযুক্তি বিভাগের বিজ্ঞানীদের এ উদ্ভাবনী পরিদর্শন করেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান।

পরিদর্শন শেষে বিজ্ঞানীদের নতুন এ উদ্ভাবনী দেখে মন্ত্রী সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। এসময় মন্ত্রী শিগগিরই এই পদ্ধতিটি মাঠ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ এবং মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।

উদ্ভাবিত পদ্ধতি সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানীরা মন্ত্রীকে জানান, ডেঙ্গু নিরসনে স্টেরাইল ইনসেক্ট টেকনিক (এসআইটি) পদ্ধতির প্রায়োগিক বিষয়ে গবেষণা কার্যক্রম ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এসআইটি পদ্ধতিতে পুরুষ এডিস মশাকে গামা রশ্মি প্রয়োগের মাধ্যমে বন্ধ্যাকরণ করা হয়। পরে পুরুষ এডিস মশাকে ডেঙ্গু প্রাদুর্ভাব রয়েছে এমন এলাকায় অবমুক্ত করা হয়। এতে সেটি স্ত্রী এডিস মশার সঙ্গে মিলিত হলে স্ত্রী এডিস মশা যে ডিম বা লার্ভা নির্গত করবে তা থেকে এডিস মশার বংশবিস্তার হবে না। ফলে ওই ডিম বা লার্ভা নিষিক্ত না হলে মশার পরিমাণ কমতে থাকবে। ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে এটি একটি অত্যন্ত কার্যকর এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত পদ্ধতি বলে জানান বিজ্ঞানীরা।

পাশাপাশি এটি একটি পরিবেশ বান্ধব পদ্ধতি। তাই পরিবেশে এর কোন বিরূপ প্রভাব নেই। এই পদ্ধতিতে শুধুমাত্র বন্ধ্যা পুরুষ মশাই প্রকৃতিতে অবমুক্ত করা হবে। যেহেতু পুরুষ মশা ডেঙ্গুর জীবাণু বহনে অক্ষম, তাই এর মাধ্যমে ডেঙ্গুর বিস্তার ঘটার কোন সম্ভাবনা নেই। এছাড়া পুরুষ এডিস মশা মানুষকে কামড়ায়ও না। তাই এই এসআইটি পদ্ধতিটি দেশের ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলেও আশা প্রকাশ করেন বিজ্ঞানীরা।

এসময় কমিশনের চেয়ারম্যান মাহবুবুল হক, সদস্য অধ্যাপক ডা. মো. সানোয়ার হোসেন, পরমাণু শক্তি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের মহাপরিচালক ড.এম.আজিজুল হক, এনআইবির মহাপরিচালক ড. মো. সলিমুল্লাহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ইত্তেফাক

বুকভরে সতেজ বাতাস টানতে কাকভোরে বিছানা ছাড়ছেন ছুটতে। অথবা স্বাস্থ্য সতেজ রাখতে রোজ সন্ধ্যায় পার্কে যাচ্ছেন হাঁটতে। কিন্তু সুস্থ থাকার জন্য যেখানকার বাতাস বুকে ভরতে যাচ্ছেন, তাতেই যদি বিষ থাকে?

কোথাও যাওয়ার আগে মোবাইলে টাচ করেই এবার দেখে নিন, সেখানকার দূষণের মাত্রা। বিশ্বব্যাংক এবং পরিবেশ দপ্তরের যৌথ উদ্যোগে আসছে নতুন অ্যাপ ক্লেয়ার। যাকে বলা হচ্ছে হাইপার লোকাল পলিউশন মনিটরিং। এর ফলে যে কেউ দেখে নিতে পারবেন তিনি যে এলাকায় যাচ্ছেন, সেখানকার বাতাসে কতটা বিষ। শুধু তাই নয়, কোনো ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা যদি সেখানকার পরিবেশের কাছে হানিকর হয়, তাও এই অ্যাপ তাকে মেসেজ পাঠিয়ে জানিয়ে দেবে।

যেভাবে হবে এই অ্যাপের ব্যবহার: অ্যাপ প্রস্তুতকারক সংস্থা সূত্রে খবর, মাসখানেকের মধ্যে নতুন এই অ্যাপ চলে আসবে। তা ডাউনলোড করে সেখানে নিজের নাম, ঠিকানা, বয়স, কী কী অসুখ তাঁর রয়েছে সেগুলো একবার এন্ট্রি করতে হবে। সেখানেই অপশন আসবে, আপনি কোথায় আছেন, আর কোথায় যাবেন? সেই নাম লেখার পরই স্ক্রিনে ভেসে উঠবে ওই এলাকার দূষণের মাত্রা। এমনকি আপনার যদি সিওপিডি, লাং, হার্টের অসুখ থাকে, তবে সংস্থাই আপনাকে জানিয়ে দেবে সেখানে যাওয়া উচিত কি না? গেলে কোন সময় যাওয়া উচিত, কোন সময় দূষণের ধূলিকণা সক্রিয়। পরিবেশ দপ্তরের আধিকারিকদের কথায়, এই অ্যাপ সব থেকে বেশি বয়স্ক লোকদের কাজে লাগবে। কারণ ষাটোর্ধ্ব প্রৌঢ়রা বেশিরভাগই হার্ট এবং লাংয়ের অসুখে ভোগেন। দূষণের জেরে বের হওয়া ধূলিকণা তাদের শরীরেই সব থেকে বেশি আক্রমণ করবে। কারণ তাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক কম। ফলে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে। তাই এই অ্যাপ ব্যবহার করে তারা অন্তত দূষণের জেরে নিজের শরীরের ক্ষতি হওয়া কিছুটা হলেও আটকাতে পারবেন।

কিন্তু এত দূষণের কারণ কী? পরিবেশবিদদের কথায়, রাতভর শহরে বাইরে থেকে ট্রাক ঢোকে। সেখান থেকে বেরনো দূষণের ধূলিকণা রাত ৯টা থেকে পরদিন সকাল ১০টা পর্যন্ত থাকে। তাছাড়া নির্মীয়মাণ বহুতল ভবনের কাজকর্মও এখন সারারাত চলে। সেখান থেকেও পিএম ২.৫ ধূলিকণা ছড়ায় প্রচুর; যা সকাল পর্যন্ত থাকে। তাদের কথায়, পিএম ৫ ধূলিকণা তবু মানুষের নাকে আটকাতে পারে, শরীরে প্রবেশ করে না। কিন্তু পার্টিকুলেট ম্যাটার ২.৫ এতই ছোটো ধূলিকণা যে, সরাসরি হার্টে চলে যায়। কোনোভাবেই তা আটকানো সম্ভব হয় না। আর এই পুরোনো গাড়ির ধোঁয়াতে এই ধূলিকণার পরিমাণই সবচেয়ে বেশি। অ্যাপ প্রস্তুতকারক সংস্থার কর্তা সঞ্জয় চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘মাসখানেকের মধ্যেই নতুন এই অ্যাপ চলে আসবে। তা দিয়ে যে কেউ দেখে নিতে পারবেন, কোন এলাকায় দূষণের মাত্রা কতটা! সেটা বুঝে তারা বাড়ি থেকে বেরুতে পারবেন।’

মেডিসিন বিভাগের বিশিষ্ট চিকিত্সক ড. অরিন্দম বিশ্বাস বলেন, ‘সবাই আমরা দূষণের শিকার। এই অ্যাপের মাধ্যমে আমরা আগাম জানতে পারব ঠিকই, তবে দূষণ তো কমবে না। দূষণের জেরে নাক, কান, গলা সব থেকে বেশি এফেক্ট করে। তাই সাবধানতা অবলম্বন খুব জরুরি। তবে কোথায় কেমন দূষণের মাত্রা তা জানলে যতটা সম্ভব এড়ানো সম্ভব হতে পারে।’ পরিবেশ দপ্তরের আধিকারিকদের কথায়, সকালের দিকেই দূষণের মাত্রা বেশি থাকে। সবচেয়ে ছোটো যে ধূলিকণা পার্টিকুলেট ম্যাটার বা পিএম ২.৫, সবচেয়ে বেশি এই সময়েই শরীরে প্রবেশ করে; যা থেকে হার্ট ও লাংয়ের অসুখ বেশি হয়। এমনকি সন্তানসম্ভবা মায়ের শরীরে তা প্রবেশ করলে শিশুরও নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই মর্নিং ওয়াকে বেরুনোর আগে এই অ্যাপ কার্যকরী ভূমিকা নেবে বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ, দেখে নেওয়া যাবে কোথাকার বাতাসে দূষণের মাত্রা কতটা! সেটা বুঝে বেরুনো যাবে রাস্তায়।

ইত্তেফাক

নৌ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

নৌ প্রতিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর ফেসবুক আইডি এবং পেজ হ্যাকড হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরের পর আইডি ও পেজ হ্যাকড হয়। এই আইডি ঘিরে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রীর ফেসবুক আইডিতে ঢুকে দেখা যায়, হ্যাকাররা আইডি থেকে প্রতিমন্ত্রীর নাম মুছে দিয়েছে। খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর বদলে সেখানে সানজানা গুপ্তা নাম লিখা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রোফাইল ছবিও পরিবর্তন করে একজন নারীর ছবি দেওয়া হয়েছে।

এ মুহূর্তে নৌ প্রতিমন্ত্রী পায়রা সমুদ্র বন্দরের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সমুদ্র বন্দরগুলোর সম্পর্ক স্থাপনে সিঙ্গাপুর, কানাডা ও লন্ডন সফরে রয়েছেন।

প্রতিমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী আ ন ম আহমাদুল বাশার জানান, আইডি হ্যাকড হওয়ার আগে নৌ প্রতিমন্ত্রী যে লিংক শেয়ার করেছিলেন, এর মাধ্যমে একদিনে অর্ধলক্ষ পিটিশন দায়ের হয়েছে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মস্বীকৃত খুনি নুর চৌধুরীকে কানাডা থেকে ফিরিয়ে এনে বিচারের রায় কার্যকর করার দাবিতে সর্বশেষ পোস্টটি দিয়েছিলেন নৌ প্রতিমন্ত্রী। ওই পোস্টে তিনি একটি রিট পিটিশন সিগনেচারের অপশন শেয়ার করেন। এর কয়েক ঘণ্টা পর থেকেই তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টটি হ্যাকড হয়।

ইত্তেফাক

বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হচ্ছে ফেসবুক। তবে সম্প্রতি বাংলাদেশে নানান ইস্যুতে অনেকের ফেসবুক আইডি ডিজেবল হয়ে গেছে। আর এসব ফেসবুক ব্যবহাকারীদের পাশে দাঁড়িয়েছে ‘সাইবার ৭১’ নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী হ্যাকার সংগঠন।

সম্প্রতি এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে বাংলাদেশি এ হ্যাকার সংগঠন ডিজেবল হয়ে যাওয়া ফেসবুক আইডি পুনরুদ্ধার করে দেয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে।

এ ব্যাপারে সাইবার ৭১-এর প্রতিষ্ঠাতা ফাহিম রহমান বলেন, আপনারা জানেন যে ‘সাইবার ৭১’ কখনো আর্থিক সহায়তার বিনিময়ে কাউকে হেল্প করে থাকে না। কিন্তু এবার থেকে আমরা আপনাদের থেকে সহায়তা নিবো। আপনাদের যার ফেসবুক আইডি ডিজেবল বা সমস্যা হয়ে আছে তারা সামর্থ্য অনুযায়ী দুইজন গরীবকে খাওয়াবেন। আপনি তাদের ছবি ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে ক্যাপশনে হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করবেন, #HelpCyber71 এবং আমাদের পেজকে ট্যাগ করে দিবেন।

তিনি বলেন, সেখান থেকে আমরা আপনাকে খুঁজে নিবো এবং সহায়তা করবো। তবে শর্ত হচ্ছে কাজ হওয়ার পর আরও তিনজন গরীবকে পেট ভরে খাওয়াতে হবে এবং ফিরে আসা সেই আইডি থেকে তাদের ছবিও আপলোড করতে হবে।

বিডি প্রতিদিন

বিজ্ঞানীরা এবার আবিষ্কার করেছেন উড়ন্ত সাইকেল বা ফ্লাইং বাইসাইকেল। চেক রিপাবলিকের রাজধানী প্রাগে এই উড়ন্ত সাইকেলের সফল পরীক্ষা চালানো হয়। জানা যায়, সাইকেলটি চূড়ান্তভাবে পরীক্ষাতে সফল হয়েছে। তবে এখনই এটি বাজারে আসবে না। খবর কলকাতা 24×7 এর।

আরও কিছু ছোট খাটো পরীক্ষা শেষে কিছুদিনের মধ্যেই এই সাইকেল বাজারে ছাড়া হবে। চেক রিপাবলিকের তিনটি সংস্থা মিলে বিশ্বের এই প্রথম উড়ন্ত বাইসাইকেল বাজারে নিয়ে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। যদিও তা আসতে এখনও বছরখানেক সময় লেগে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

ভিডিও

বিডি-প্রতিদিন