ছবি : সংগৃহীত

ফল উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশ ২৮তম ও আম উৎপাদনে সপ্তম ও পেয়ারা উৎপাদনে অষ্টম অবস্থানে রয়েছে। আজ মঙ্গলবার সংসদ ভবনে একাদশ জাতীয় সংসদের কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির ৪র্থ বৈঠকে এই তথ্য জানানো হয়। কমিটি সভাপতি মতিয়া চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় কমিটি সদস্য কৃষি মন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক, মুহা. ইমাজ উদ্দিন প্রাং, মো. মোসলেম উদ্দিন, আব্দুল মান্নান, মো. মামুনুর রশীদ কিরন, জয়া সেন গুপ্তা এবং হোসনে আরা বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।

বৈঠকে জানানো হয়, ফল বিভাগ, উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট এ পর্যন্ত ৩৫ প্রজাতির ফলের ৮৪টি উচ্চ ফলনশীল জাত উদ্ভাবন করেছে।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২৪ প্রজাতির ফলের ৮৪টি, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৫ প্রজাতির ফলের ৭টি এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর থেকে ফলের ২ প্রজাতির ২টি জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে।

এ ছাড়াও বৈঠকে জানানো হয় যে, ২০১৮-১৯ অর্থ বছরের সংশোধিত এডিপিতে কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতায় মোট ৭২টি প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন ছিল। যার অনুকুলে মোট বরাদ্দ ছিল ১৮০৬ দশমিক ৮৯ কোটি টাকা, তম্মধ্যে জিওবি ১৪৪৮ দশমিক ৩৯ কোটি টাকা এবং প্রকল্প সাহায্য ৩৫৮ দশমিক ৫০ কোটি টাকা। এ অর্থ বছরে অর্থ ব্যয় হয়েছে ১৭৭৫ দশমিক ৭৮ কোটি টাকা, যা মোট সংশোধিত এডিপি বরাদ্দের ৯৮ দশমিক ৩০ শতাংশ। এর মধ্যে জিওবি খাতে ব্যয় হয়েছে ৯৯ দশমিক ০৩ শতাংশ এবং প্রকল্প সাহায্য খাতে ব্যয় ৯৫ দশমিক ২৬ শতাংশ। বর্তমান অর্থ বছরে জাতীয় গড় অগ্রগতি (৯৪.২৩ শতাংশ) অপেক্ষা এ মন্ত্রণালয়ের অগ্রগতি বেশি হয়েছে।

সভায় কৃষি মন্ত্রণালয়ের সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বৈঠকে দেশের সামগ্রিক বন্যা পরিস্থিতিতে কৃষি মন্ত্রণালয় কী করণীয় আছে সে বিষয়ে কমিটিকে অবহিত করার সুপারিশ করা হয়। বাসস

ইত্তেফাক

আগামী বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) থেকে যাচাই শুরু হতে চলেছে নকল বা ক্লোন করা মোবাইল ফোনের আইএমইআই (ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল ইক্যুপমেন্ট আইডেন্টিটি)। আর এই আইএমইআই যাচাইয়ের মাধ্যমে নকল মোবাইল ফোনে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নেটওয়ার্ক বন্ধ হয়ে যাবে।

এ ব্যাপারে বিটিআরসি এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, আগামী ১ আগস্ট থেকে নকল বা ক্লোন আইএমইআই সম্বলিত মোবাইল হ্যান্ডসেট মোবাইল নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হলে পরবর্তী ন্যাশনাল ইক্যুপমেন্ট আইডেন্টি রেজিস্ট্রারের (এনইআইআর) মাধ্যমে নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন করা হবে।

এজন্য মোবাইল হ্যান্ডসেট কেনার আগে মেসেজ অপশনে গিয়ে KYD১৫ ডিজিটের আইএমইআই নম্বর লিখে ১৬০০২ তে পাঠাতে হবে। তাছাড়া *০৬# ডায়াল করে হ্যান্ডসেটের আইএমইআই জানা যাবে। ১৫ ডিজিটের আইএমইআই নম্বরের মাধ্যমে জানা যাবে সেটটি আসল না নকল।

এদিকে, মোবাইল ফোন হ্যান্ডসেট কেনার আগে সেটটির আইএমইআই’র সঠিকতা যাচাই করে কেনা এবং বিক্রেতার কাছ থেকে ক্রয় রশিদ নেওয়ার অনুরোধ করেছে বিটিআরসি। একই সঙ্গে বিটিআরসি জানায়, ইতোমধ্যে সম্মানিত গ্রাহক যে সব মোবাইল হ্যান্ডসেট ব্যবহার করছেন অর্থাৎ যেগুলো ইতোমধ্যে নেটওয়ার্কে যুক্ত রয়েছে, সে সব সেট এনইআইআর চালু হলে সরাসরি ডাটাবেজে যুক্ত হবে।

প্রতীকী ছবি

ব্রিটেনের ব্র্যাডফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা একটি কম্পিউটার সফটওয়্যার তৈরি করেছেন যা হাজার কৃত্রিম হাসির মধ্যে থেকে বেছে নিতে পারে সত্যিকারের হাসিকে। গবেষকদের মতে, কোন মানুষের আসল হাসি লুকিয়ে থাকে তার চোখে। আর এই বিষয়টিকেই কাজে লাগিয়েছেন তারা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এর মাধ্যমে মানসিক রোগীদের চিকিৎসা আরও সহজ হবে। ভবিষ্যতে বায়োমেট্রিক আইডেন্টিফিকেশনের ক্ষেত্রে মেশিন ও মানুষের মধ্যেও সুসম্পর্ক গড়ে উঠবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হাসান বলছেন, “মুখের অভিব্যক্তিগুলোর মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হাসি। এই হাসিই ইতিবাচক অভিব্যক্তি। তবে এতদিন আসল ও কৃত্রিম হাসির পার্থক্য করা ছিল একটা চ্যালেঞ্জ। এবার প্রযুক্তির হাত ধরে সেই পার্থক্য বোঝা সম্ভব।”

এই সফটওয়্যারটি প্রথমে একটি মানুষের মুখের ভিডিও দেখে। যেখানে তার ঠোঁট, গাল এবং চোখের বৈচিত্রগুলো ভালভাবে লক্ষ্য করা হয়। তারপর দেখা হয়, হাসির সময় এই অংশগুলো কীভাবে সহযোগিতা করছে। এরপর ভিডিও’র প্রতিটি ক্লিপে ব্যক্তির অভিব্যক্তি হিসেব করে দেখিয়ে দেওয়া হয় তার হাসি আসল নাকি কৃত্রিম। এই প্রক্রিয়ায় সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করে চোখ।গবেষকরা জানাচ্ছে, ভিডিও’র প্রতিটি ক্লিপ ভালভাবে লক্ষ্য করলেই পার্থক্যটা ধরা পড়ে। কেউ মন থেকে হাসলে তার পেশি অন্তত ১০ গুণ বেশি সচল হয়। নকল হাসির ক্ষেত্রে অনেক সময় কেবলমাত্র ঠোঁটের আশপাশের পেশি বেশি সচল থাকে। চোখের ভূমিকা সেখানে কম হয়। যদিও সফটওয়্যারটি সাধারণ মানুষ কবে থেকে ব্যবহার করতে পারবেন, তা এখনও স্পষ্ট করে জানানো হয়নি।

ফাইল ছবি

২০১৯ সালের পবিত্র হজব্রত পালন করতে এ পর্যন্ত সৌদি আরব পৌঁছেছেন ১ লাখ ২ হাজার ৪৬৭ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী। এদিকে মঙ্গলবার দিবাগত রাত পর্যন্ত আরও ৭ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে এ নিয়ে এ বছর মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ২৪ জনে। এর মধ্যে মক্কায় ২০, মদীনায় ৩ এবং জেদ্দায় ১ জন। এদের মধ্যে ২১ জন পুরুষ এবং ২ জন নারী রয়েছেন।

হজ মিশন সুত্রে জানা গেছে ৩০ জুলাই পর্যন্ত বাংলাদেশ বিমানের ১৫২টি এবং সৌদিয়ার ১৩৯টি মোট ২৯১টি ফ্লাইটে করে সরকারী ব্যবস্থাপনার ৬ হাজার ৯১৬ জন এবং বেসরকারী ব্যবস্থাপনার ৯৫ হাজার ৫৫১ জন বাংলাদেশি সৌদি আরবে পৌঁছেছেন।

সবশেষ মারা যাওয় সাত বাংলাদেশি হলেন, কুমিল্লা জেলার বরুরা উপজেলার আব্দুল বারেক (৬১)। তার পাসপোর্ট নং বিএক্স ০৭২৮২৮৫, ফেনী সদর উপজেলার মো: শাজাহান (৬১)। তার পাসপোর্ট নং বিটি ০৩২০৬৩৮, মাদারীপুর জেলার কালকিনি উপজেলার আব্দুল জলিল মিয়া (৭৫) তার পাসপোর্ট নং ইএ০১৬৬৯৭৬, সাতক্ষীরা জেলা তালা উপজেলার আনোয়ারা খাতুন (৬৯) তার পাসপোর্ট নং বিওয়াই ০০৫১৯৭৪, কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলার মো: জলিল মিয়া (৭৪) তার পাসপোর্ট নং বিএক্স ০৯৬২১০০, বাঘেরহাট জেলার কচুয়া উপজেলার আব্দুল মালেক শেখ (৭৪) তার পাসপোর্ট নং বিএক্স ০৮৪৫১৮৪ এবং ময়মনসিংহ জেলার ফুলপুর উপজেলার মো: গোলাম মোস্তফা তালুকদার (৬২) তার পাসপোর্ট নং বিডব্লিউ ০২৬৩৯৭২।এদিকে বাংলাদেশ হজ অফিস মক্কার কনফারেন্স কক্ষে মঙ্গলবার রাতে প্রশাসনিক দলের দলনেতা এবং ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. জহির আহমেদ এর সভাপতিত্বে হজ প্রশাসনিক দলের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বাংলাদেশ থেকে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় আগত হজযাত্রীদের সার্বিক হজ ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করা হয়। সভায় অন্যান্যের মধ্যে বাংলাদেশ হজ অফিস মক্কাস্থ মৌসুমী হজ অফিসার, প্রশাসনিক দলের সদস্যবৃন্দ এবং আইটি দলের দলনেতা উপস্থিত ছিলেন।

অন্যদিকে, জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বি মিয়া এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ.ম. রেজাউল করিমসহ হজ অফিস মক্কার কাউন্সিলর মুহাম্মাদ মাকসুদুর রহমান,  বাংলাদেশ হজ মেডিকেল সেন্টার (মক্কা) পরিদর্শন করেন। এ সময় মন্ত্রী শ. ম. রেজাউল করিম বলেন, মেডিকেল সেন্টার এ তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার এর মাধ্যমে সুন্দর ও  সুশৃঙ্খল ভাবে হাজীদের চিকিৎসা  সেবা প্রদান করা হচ্ছে।

সংগৃহীত ছবি
‘মানবাধিকার নেত্রী’ লাভলী রহমানের ফ্ল্যাটের বারান্দার বাইরে মাটি থেকে অন্তত ১০০ ফুট ওপরে গ্রিল ধরে ঝুলে আছে গৃহকর্মী খাদিজা। হাত ছুটে গেলেই নির্ঘাত মৃত্যু। নিচে জড়ো হয়ে গেছে শত শত মানুষ। সবাই সৃষ্টিকর্তাকে স্মরণ করছেন মেয়েটি যেন পড়ে না যায়। ওই অবস্থায়ই মেয়েটিকে উদ্ধার না করে বকাঝকা করছেন গৃহকর্ত্রী লাভলী রহমান। এক পর্যায়ে খবর পেয়ে ছুটে আসে রমনা থানার পুলিশ। ভবনের নিচে পুলিশ ও অনেক লোক জড়ো হওয়ায় বারান্দার গ্রিলের তালা খুলে মেয়েটিকে ঘরে নেন গৃহকর্ত্রী। এর আগে মেয়েটি যখন ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে গ্রিলে ঝুলছিল তখন ওই মানবাধিকার নেত্রী নিজে ভিতর থেকে গ্রিলের দরজায় তালা মেরে দেন। গতকাল দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে রাজধানীর কাকরাইলের সার্কিট হাউস রোডের ‘গাউছিয়া ডাইনেস্টি’ অ্যাপার্টমেন্টে। ১৫ তলা ভবনের দশম তলায় লাভলী রহমানের ফ্ল্যাট। সেই ফ্ল্যাটেরই বারান্দার বাইরে গ্রিল ধরে ২০ মিনিটেরও বেশি সময় ধরে ঝুলছিল ১৪ বছরের গৃহকর্মী খাদিজা। এ সময় নিচ থেকে বার বার লাভলী রহমানকে ঘর থেকে বারান্দায় আসা-যাওয়া করতে দেখা যায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, ওই নারীই (লাভলী রহমান) মেয়েটিকে বারান্দার বাইরে বের করে গ্রিলের দরজায় তালা মেরে ঘরের ভিতর চলে যান। কিছুক্ষণ পর এসে হাত উঁচিয়ে মেয়েটিকে কিছু একটা বলছিলেন। অনেক উঁচুতে হওয়ায় নিচ থেকে কথাগুলো শোনা যাচ্ছিল না। তবে বকাঝকা করছিলেন তা বোঝা যাচ্ছিল।

খবর পেয়ে একদল পুলিশ সদস্য নিয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মো. জহিরুল ইসলাম। ভবনের দশম তলার (লিফটের ৯) ‘বি-১০’ নম্বর ফ্ল্যাটে গেলে লাভলী রহমান নির্বিকারভাবে দরজা খুলে দেন। তার আচরণে মনে হচ্ছিল যেন তেমন কিছুই হয়নি। জিজ্ঞাসাবাদ করলেও কোনো কিছুর উত্তর দেয়নি গৃহকর্মী খাদিজা।

জহিরুল ইসলাম গতকাল রাতে বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, দুই গৃহকর্মীর মধ্যে ঝগড়ার জেরে এমনটা ঘটেছে বলে এখন পর্যন্ত জেনেছি। তবে আমরা তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছি।

বাইজু রবীন্দ্রন। ছবি: সংগৃহীত

বাইজু রবীন্দ্রন। বয়স ৩৭। শিক্ষকতা করে মাত্র ৩৭ বছরেই বিলিয়ানেয়রের তকমা পেয়েছেন তিনি। তবে তার পড়ানোর পদ্ধতি একেবারে অন্যরকম। মজার ছলে পড়াতে তিনি পছন্দ করেন। আর তাতেই হিট ভারতের আজিকোটের এই প্রাইভেট শিক্ষক!

জানা গেছে, বাইজু রবীন্দ্রন তৈরি করেছেন একটি এডুকেশনাল অ্যাপ। যার মূল্য ৬০০ কোটি টাকা। যার নাম বাইজু’স অ্যাপ। এই মাসের শুরুতে তার অ্যাপ ১০কোটি পনেরো লক্ষ টাকার ফান্ডিং পাবার পরই তিনি ধনীদের ক্লাবে অন্তর্ভুক্ত হন।

বাইজু জানান, যেভাবে মাউস হাউসকে বিনোদনের জন্য ব্যবহার করা হয় ঠিক সেভাবেই মাউস হাউসের দেখানো পথেই ভারতীয় শিক্ষার জন্য তিনি কাজ করতে চান। এর জন্যে তিনি ভৌগোলিক ও সৃজনশীলভাবে বৃহত্তম পদক্ষেপ নিচ্ছেন। এই নতুন অ্যাপ্লিকেশনটিতে দ্য লায়ন কিংসের সিম্বা থেকে ফ্রোজেনের আনাকে যোগ করা হবে, এক থেকে তিন ধাপের শিক্ষার্থীদের গণিত এবং ইংরেজি শেখাবে। ওই চরিত্রগুলিকে অ্যানিমেটেড ভিডিও, গেমস, গল্প এবং ইন্টারেক্টিভ কুইজেও ব্যবহার করা হচ্ছে।

টিউশনি করে শীর্ষ ধনীর তালিকায়

২০১১ সালে তিনি থিঙ্ক এন্ড লার্নিং নামে একটি সংস্থা শুরু করেছিলেন। ২০১৫ সালে সেটির অ্যাপ তৈরি করেন বৈজু। হাতের মুঠোয় ছড়িয়ে দেন তার পড়ানোর পদ্ধতি। এটিই এখন জনপ্রিয়তা লাভ করেছে এবং বাইজুও হাতেনাতে পাচ্ছেন তার ফল।

ইত্তেফাক

বাইজিদ আল-হাসান।

ভারতে মুসলিম নিধন বন্ধের দাবিতে আজ ঢাকায় ভারতীয় দূতাবাস অভিমুখে গণ-মিছিল করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। সকাল ১০টায় রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিণ চত্বরে মিছিল পূর্ব প্রতিবাদ সমাবেশ করে দলটির কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীরা। এসময় জ্যেষ্ঠ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ওলামা-মাশায়েখ, দীনদার ব্যক্তিবর্গ ভারতীয় সংখ্যালঘু মুসলিমদের উপর নির্যাতনের প্রতিবাদে বক্তব্য রাখেন। দলটির নায়েবে আমীর মুফতি ফায়জুল করীম তার বক্তব্যে ভারতের মুসলিমদের নির্যাতনের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানান।

দলের আমীর মুফতি সৈয়দ রেজাউল করীম এর নেতৃত্বে ভারতীয় দূতাবাস অভিমুখে গণ-মিছিল নিয়ে যাত্রা শুরু করলে পল্টন মোড়েই পুলিশের বাধার সম্মুখীন হয়। এসময় বিক্ষুব্ধ হয়ে পরে নেতাকর্মীরা। পরবর্তীতে দলটির প্রেসিডিয়াম সদস্য মুফতি মুসাদ্দেক বিল্লাহ আল-মাদানীর নেতৃত্বে একটি দল স্মারকলিপি প্রদানের উদ্দেশে ভারতীয় দূতাবাসে যায়।

ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের হেলথ ইকোনমিক্স ইউনিটের উপ-পরিচালক (উপ-সচিব) ড. নুরুল আমিনের স্ত্রী ফারজানা হক (৪২)।

এছাড়া ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন লিটন হাওলাদার নামের আরেক রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ঢাকা মেডিকেলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ৯ জনে।

সোমবার (২৯ জুলাই) দিবাগত রাতে ঢামেক হাসপাতালের জেনারেল আইসিইউতে মারা যান ফারজানা। ঢামেকের সহকারী পরিচালক ডা. নাসির উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, ফারজানা আগেই ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত ছিলেন। সোমবার তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ফারজানার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে তাকে আইসিইউতে নেয়া হয়। রাতে সেখানেই তার মৃত্যু হয়। ফারজানা হক পরিবারের সঙ্গে রাজধানীর নিউ ইস্কাটন এলাকায় থাকতেন।

ঢামেক সূত্রে জানা গেছে, ঢামেকে ডেঙ্গু রোগে মারা গেছেন আট জন। তাদের মধ্যে ছয় জনই নারী। ফারজানা ছাড়া অন্যরা হলেন, ফরিদপুরের রাবেয়া (৫০), আজমপুরের ফাতেমা (৪৩), এলিফ্যান্ট রোডের নাসিমা (৩৩), কামরাঙ্গীরচরের হাফিজা (৬১), ডেমরার রাজু (২০), লালবাগের ফরহাদ (৪৪), রিতা ও লিটন।

 

সূত্রঃ সময়

সিলেট জেলাকে স্মার্ট শহরে রূপান্তরের অংশ হিসেবে বিভিন্ন স্থানে চেহারা শনাক্তকরণ ক্যামেরা বসানোর প্রকল্পের উদ্বোধন। ছবি: সংগৃহীত।


ডিজিটাল সিলেট সিটি প্রকল্পের আওতায় দেশে প্রথমবারের মতো ফেস রিকগনিশন ও যানবাহনের নম্বর প্লেট চিহ্নিতকরণ আইপি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। সিলেট জেলাকে স্মার্ট শহরে রূপান্তরের অংশ হিসেবে সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। গতকাল শনিবার সম্প্রতি সিলেট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে প্রকল্পের দুটি কম্পোনেন্টের উদ্বোধন করা হয়। এ ট্র্যাকিং সিস্টেম ও ডিভাইস সরবরাহ করছে চীনা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে। প্রতিষ্ঠানের এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

প্রকল্পে সিলেট নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ১১০টি অত্যাধুনিক আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সযুক্ত আইপি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। জিন্দাবাজার পয়েন্ট, সুরমা মার্কেট পয়েন্ট, লামা বাজার পয়েন্ট, আম্বরখানা পয়েন্ট, মাজারগেট, জেলখানা পয়েন্ট, সুবিদ বাজার পয়েন্ট, শাহি ঈদগাহ এলাকাসহ নগরীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এসব আইপি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। এসব আইপি ক্যামেরা নিয়ন্ত্রণের জন্য সিলেট জেলার কোতয়ালি মডেল থানায় মনিটরিং রুম স্থাপন করা হয়েছে। এ সিস্টেমের নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকবে সিলেট মহানগর পুলিশ।

প্রকল্পের আওতায় সিলেট নগরের ৬২টি স্থানে মোট ১২৬ এক্সেস পয়েন্টের মাধ্যমে ফ্রি ইন্টারনেট সেবা প্রদান করা হবে। এখান থেকে সিলেটবাসীরা বিভিন্ন সরকারি ওয়েবসাইট ব্রাউজ করতে পারবে এবং বিভিন্ন প্রকার সেবা নিতে পারবে।

তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ বলেন, ‘এখন প্রত্যেক গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় এ রকম ক্যামেরা স্থাপন করে মনিটরিং সেন্টার থেকে সার্বক্ষণিক নজরদারি করে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাবে।’

স্মার্টফোনের অতিরিক্ত ব্যবহারের বিপদ ঘটতে পারে।দিনে পাঁচ ঘণ্টা বা তার বেশি সময় ধরে যেসব শিক্ষার্থী মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন, তাঁদের স্থূলতার ঝুঁকি বাড়তে পারে। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এ তথ্য পাওয়া গেছে। গবেষকেরা সতর্ক করেছেন, অতিরিক্ত সময় ধরে মোবাইল ফোনের ব্যবহারে অন্যান্য বাজে অভ্যাস তৈরি হয়, যাতে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকিও বেড়ে যেতে পারে। কলম্বিয়ার গবেষকেরা সম্প্রতি এ গবেষণা করেছেন।

কলম্বিয়ার ১৯ থেকে ২০ বছর বয়সী ৭০০ তরুণী ও ৩৬০ জন কিশোর শিক্ষার্থীর ওপর গবেষণাটি চালান সিমন বলিভার বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা।

গবেষণা প্রবন্ধের শীর্ষ লেখক মিরারি ম্যান্তিলা-মোরন বলেন, সাধারণ মানুষের জন্য এটা জানা ও সতর্ক থাকা গুরুত্বপূর্ণ এ কারণে যে মোবাইল ডিভাইসের আকর্ষণীয় উপযোগী ফিচার থাকলেও এটা অবশ্যই উন্নত অভ্যাস ও স্বাস্থ্যকর আচরণের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ হতে হবে।

গবেষকেরা বলছেন, দিনে পাঁচ ঘণ্টা বা তার বেশি সময় ধরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করলে স্থূলতার ঝুঁকি ৪৩ শতাংশ বাড়ে। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে চিনিযুক্ত পানীয়, ফাস্ট ফুড, মিষ্টি, বারবার নাশতা খাওয়ার প্রবণতা বাড়ে। এ ছাড়া তাঁদের শারীরিক সক্রিয়তা অনেক কমে যায়। গবেষকেরা বলছেন, যাঁদের ওজন বেশি থাকে, তাঁদের ২৬ শতাংশ এবং আগে মেদযুক্ত ছিল—এমন ব্যক্তিদের ৪ দশমিক ৩ শতাংশ পাঁচ ঘণ্টার বেশি স্মার্টফোন যুক্ত থাকেন।

গবেষকেরা বলছেন, অতিরিক্ত সময় মোবাইল ফোনের ব্যবহারে তরুণদের মধ্যে যে শারীরিক সক্রিয়তা কমে, তাতে অকালমৃত্যু, ডায়াবেটিস, হৃদ্‌রোগ ও নানা ধরনের ক্যানসার হতে পারে।

সুস্থ থাকতে ফোনের ব্যবহার কমিয়ে আরও বেশি ব্যায়াম ও শারীরিক সক্রিয়তা বাড়ানোর নানা কাজে যুক্ত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তথ্যসূত্র: আইএএনএস।